বিজ্ঞাপন

নিহত শাবনুরের বাবা আবুল কাশেম বলেন, ১২ বছর আগে সন্তান প্রসবের সময় তাঁর প্রথম স্ত্রী মারা যান। প্রথম পক্ষে তাঁর তিন মেয়ে, এক ছেলে রয়েছে। এরপর দ্বিতীয় স্ত্রী খালেদা আক্তারকে (২৯) বিয়ে করেন। তিনি স্থানীয় আদর্শ গ্রাম বাজারের একজন ব্যবসায়ী। গতকাল সোমবার সকাল থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত মেয়ে শাবনুর তাঁকে দোকানে সহযোগিতা করে। পরে তিনি মেয়েকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। দুপুরের দিকে তিনি বাড়িতে গিয়ে মেয়েকে দেখতে না পেয়ে স্ত্রীর কাছে জানতে চান। তখন তিনি কোনো জবাব দেননি।

রাতেও মেয়ের কোনো খোঁজ পাননি। পরে গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাড়ি থেকে কয়েক শ গজ দূরে আদর্শ গ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পেছনের ঝোপের মধ্যে তাঁর মেয়ের লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় ব্যক্তিরা তাঁকে খবর দেন। তখন তিনি স্থানীয় মোরশেদ বাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে খবর দেন।

আবুল কাশেম অভিযোগ করেন, লাশ উদ্ধারের পর তাঁর বসতঘরের একটি কক্ষে রক্তের দাগ দেখতে পেয়েছেন। তাঁর একটি লুঙ্গি এবং নিহত শাবনুরের একটি নতুন ওড়না ঘরের মধ্যে ভেজা অবস্থায় পাওয়া যায়।

দ্বিতীয় স্ত্রী খালেদা আক্তারই তাঁর মেয়ে শাবনুরকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মোরশেদ বাজার তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক মো. হেলাল উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, সৎমা–ই শাবনুরকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। মেয়েটির মুখ, মাথা, ঘাড় ও কানে কোপানোর দাগ রয়েছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দা এবং শাবনুরের একটি ওড়না উদ্ধার করা হয়েছে।
পরিদর্শক হেলাল উদ্দিন আরও বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আটক খালেদা আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন