ওই বছরের ২৫ ডিসেম্বর মীমাংসার নামে কালীগঞ্জের পূর্ব নারায়ণপুর গ্রামে এসে স্ত্রীকে বাড়ির দোতলায় ডেকে নিয়ে মারধর করে চলে যান রফিকুল। মারাত্মক জখম অবস্থায় তানিয়াকে শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। ২০২১ সালের ১০ জানুয়ারি তানিয়া তার স্বামী রফিকুল, শাশুড়ি রাহেলা, দেবর সাইফুল ও সাইফুলের স্ত্রী নাহারের নামে সাতক্ষীরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন।

ট্রাইব্যুনালের বিচারক এমজি আযম মামলাটির বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন। মামলায় বাদীপক্ষের আইনজীবী ছিলেন বসির আহম্মেদ। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসমিন নাহার ছয়জনের সাক্ষী গ্রহণ করে রফিকুলের বিরুদ্ধে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতনের প্রাথমিক সত্যতা আছে বলে গত বছরের ২২ মার্চ আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন। এরপর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এমজি আযম আসামি রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। পরে আসামি মীমাংসার নামে তিনবার জামিন নেন।

গতকাল আসামিপক্ষের আইনজীবী আসামি রফিকুলের স্থায়ী জামিনের আবেদন করেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ কৌঁসুলি জহুরুল হায়দার, এস এম হায়দার, তপন কুমার দাস জামিন বাতিলের আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক এমজি আযম আসামি রফিকুল ইসলামের জামিন বাতিল করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন