বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জানা গেছে, ইউপি সদস্য কামরুজ্জামান নিজের স্ত্রী সালমা তাহিনুরের নামে বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা নারী ভাতা তুলেছেন নিয়মিত। ছেলে নাভিদুল হাসানের পিতৃপরিচয় গোপন করে প্রতিবন্ধী ভাতাও তুলেছেন। দুই শ্যালিকা উম্মে সালমা ও উম্মে রুমানের নামে তুলছেন বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা নারী ভাতা। শ্বশুর নুরেরজ্জামান ও শাশুড়ি বিবি আয়েশার নামে বয়স্ক ভাতা এবং শ্যালক আনিসুজ্জামানের নামে তুলেছেন প্রতিবন্ধী ভাতা। সব মিলিয়ে মাসে চার হাজার টাকার ভাতা তুলে নিয়েছেন তিনি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এসব ভাতার বিষয়ে পরিবারের অন্য সদস্যরা কিছুই জানতেন না। ইউপি সদস্যের দুই শ্যালিকা উম্মে সালমা ও উম্মে কুলসুম বলেন, তাঁদের স্বামী জীবিত। তাঁরা কখনো ভাতার বিষয়ে আবেদনও করেননি।

স্ত্রী ও শ্যালিকাদের নামে ভাতার কার্ড করার বিষয়ে প্রশ্ন করলে কামরুজ্জামান উত্তর দেননি। তবে ছেলের প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড করানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তাঁর ছেলে একবার রিকশা থেকে পড়ে হাত ভেঙে ফেলেছিল। এ কারণে তিনি প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড করেছেন। এ ছাড়া তিনি ভাতা নিয়ে তেমন কোনো অনিয়ম করেননি বলে দাবি করেন।

দরবারপুর ইউপির চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন মজুমদার বলেন, একজন ইউপি সদস্য হয়ে পরিবারের লোকজনের নামে অন্যায়ভাবে বিধবা, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ভাতা তুলে নেওয়া কোনোভাবেই ঠিক হয়নি।

দুই শ্যালিকা উম্মে সালমা ও উম্মে রুমানের নামে তুলছেন বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা নারী ভাতা। শ্বশুর নুরেরজ্জামান ও শাশুড়ি বিবি আয়েশার নামে বয়স্ক ভাতা এবং শ্যালক আনিসুজ্জামানের নামে তুলেছেন প্রতিবন্ধী ভাতা। সব মিলিয়ে মাসে চার হাজার টাকার ভাতা তুলে নিয়েছেন তিনি।

দরবারপুর ইউপির সদস্য কামরুজ্জামান দরবারপুর ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করছেন। জানতে চাইলে উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি আবুল আলম আজমির বলেন, ‘খোঁজ নিয়ে জেনেছি, বিষয়টি সঠিক। দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেলে তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন