নগরের চাষাঢ়া বালুর মাঠ এলাকায় অবস্থিত হেলথ রিসোর্ট হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গত শুক্রবার সকালে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে অ্যানি বেগম নামের এক গৃহবধূ তিন সন্তানের জন্ম দেন। তাদের মধ্যে এক ছেলে ও দুই মেয়ে। চিকিৎসক বেনজির হক পান্না খুশি হয়ে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর সঙ্গে মিলিয়ে ওই তিন শিশুর মধ্যে ছেলের নাম স্বপ্ন, দুই মেয়ের নাম রাখেন পদ্মা ও সেতু। শিশুর মা–বাবাও নাম তিনটি পছন্দ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেয়ে উচ্ছ্বসিত নবজাতকদের মা–বাবা। বাবা আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘তিন সন্তানের জন্য শুভেচ্ছা ও উপহারসামগ্রী পাঠানোয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। প্রধানমন্ত্রীকে আল্লাহ যাতে সুস্থ রাখেন, তিনি যেন এভাবে দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে পারেন। আমরা এতে অনেক খুশি। প্রধানমন্ত্রী এভাবে আমাদের বাসায় উপহারসামগ্রী পাঠিয়েছেন, এতে আমি ও আমার এলাকাবাসী গর্বিত। আমরা প্রধানমন্ত্রীর সুস্থতা ও দীর্ঘ আয়ু কামনা করি।’

মা অ্যানি বেগম বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আমার তিন সন্তানের জন্য শুভেচ্ছা ও উপহার পাঠানোয় আমার খুব ভালো লাগছে। প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’
উপহারসামগ্রী তোলে দেওয়ার সময় শামীম মুসফিকের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কুদরত এ খোদা, বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দীপক চন্দ্র সাহাসহ অনেকে।

ইউএনও কুদরত-এ-খুদা প্রথম আলোকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী ওই তিন শিশুর জন্য ফুল, ফলমূল ও একেকটি এক ভরি ওজনের তিনটি স্বর্ণের চেইন তাদের মা–বাবার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রটোকল অফিসার শামীম মুসফিক ওই শিশুদের বাড়িতে গিয়ে তাদের মা–বাবার হাতে শুভেচ্ছা উপহার পৌঁছে দেন।

যেই চিকিৎসক তিন নবজাতকের নাম রেখেছেন, সেই বেনজির হক প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার খুব ভালো লাগছে। প্রধানমন্ত্রীর ওই তিন শিশুর জন্য উপহার পাঠিয়েছেন। আমরা বিদেশে বিভিন্ন স্থাপনা দেখতে যাই, সেসবের ছবি তুলি। আমাদের দেশে নিজস্ব অর্থায়নে ২৫ জুন এত বড় একটি স্থাপনা উদ্বোধন হতে যাচ্ছে, এটা আমার জন্য গৌরবের। আমাদের স্বপ্নের পদ্মা সেতুর সঙ্গে মিলিয়ে ওই তিন শিশুর নাম রাখার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী অবগত হয়েছেন এবং তিনি পছন্দ করেছেন। এ জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন