বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রোববার সন্ধ্যা ছয়টায় জয়পুরহাট জেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। জয়পুরহাট জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ এই সভার আয়োজন করে।

স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা শাহ জালাল সভায় বলেন, ‘স্বেচ্ছাসেবক লীগের জেলা কমিটির পদপ্রত্যাশীদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক। ডোপ টেস্ট ছাড়া কেউ কমিটিতে আসতে পারবেন না। যদিও গঠনতন্ত্রে ডোপ টেস্টের কথা বলা নেই। আমরা ভবিষ্যতে গঠনতন্ত্রে ডোপ টেস্টের কথা আনব। এখন ডোপ টেস্ট ছাড়া কেউ প্রার্থিতা দাখিল করলে তাঁকে বাদ দেওয়া হবে।’

শাহ জালাল বলেন, ‘মাদকাসক্ত ব্যক্তি কখনো নেতৃত্ব দিতে পারেন না। এ কারণেই ডোপ টেস্ট করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জয়পুরহাট জেলার ১০ জন ঢাকায় গিয়ে ডোপ টেস্ট করিয়েছেন। তাঁরা হলেন আতিকুল আনোয়ার, আবিদ আজাদ, গোলাম মোর্শেদ, নাহিদ আস-সাকিব, শামীম আহাম্মেদ, রমজান আলী সরদার, মুক্তারাম দাস, আরিফ রব্বানী, সাজিদ রাব্বি রাহাত ও তিতাস নবী। তাঁরা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী। ডোপ টেস্ট ছাড়া কাউকে কমিটিতেও রাখা হবে না।’

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন জয়পুরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, সহসভাপতি এস এম সোলায়মান আলী, নৃপেন্দ্রনাথ মণ্ডল, গোলাম হাক্কানী, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি এ ই এম মাসুদ রেজা, সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম।

জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম সৈকত জানান, ২০১৫ সালের ২২ জুন সবশেষ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ছয় বছর পর ৫ অক্টোবর বেলা তিনটায় শহরের শহীদ ডা. আবুল কাশেম ময়দানে সম্মেলন হবে। আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন