বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সেখান থেকে কাজ শেষে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দুই তরুণ শহরের প্রধান সড়কের পাশে প্রকাশ্যে লাঠি দিয়ে তাঁকে মারধর করতে থাকেন। এ সময় এলোপাতাড়ি লাঠির আঘাতে মাথায় চোট পান সাইফুল। তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে হামলাকারী তরুণেরা সেখান থেকে পালিয়ে যান।

পরে আশপাশের লোকজন আহত অবস্থায় সাইফুলকে হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যার হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে দ্রুত সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। সিলেট নিয়ে যাওয়ার পথে বিকেল পাঁচটার দিকে তিনি মারা যান। খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পাশাপাশি পুলিশ খাজা গার্ডেনের সিসি ক্যামেরা থেকে ঘটনার ভিডিও চিত্র সংগ্রহ করে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, ২০২০ সালে সাইফুল হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়োগ পান। তাঁর সহকর্মী ইমতিয়াজ তুহিন বলেন, চাকরির কারণে সাইফুল শহরের অনন্তপুর আবাসিক এলাকায় ভাড়া থাকতেন।

হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাসুক আলী বলেন, সংগ্রহ করা সিসিটিভির ভিডিও থেকে অপরাধী ব্যক্তিদের শনাক্ত করা গেছে। শিগগিরই তাঁদের আটক করা হবে। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন