বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আমজাদ হোসেন মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, গত রোববার দুপুরে শিশুদের খেলা নিয়ে প্রতিবেশী উজ্জ্বল হোসেনের স্ত্রী সুমাইয়া খাতুনের সঙ্গে আসমানীর বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। পরে ওই বাগ্‌বিতণ্ডা থেমে গেলেও বিকেলে আসমানী বাড়ির পাশের খাল থেকে হাঁস আনতে গেলে সুমাইয়া খাতুন ও তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজন আসমানীকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করেন।

পরে স্থানীয় লোকজন ও পরিবারের লোকজন আসমানীকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে সেখানে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গতকাল সোমবার ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এরপর আজ ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

এ ঘটনার পরে থেকে সুমাইয়া খাতুন ও তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজন বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গেছেন। তাই অভিযোগের বিষয়ে তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নিহত আসমানী খাতুনের ভাই আবদুল কাদের বলেন, তাঁর বোনকে সুমাইয়া খাতুন ও তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজন পিটিয়ে হত্যা করেছেন। এ জন্য মারা যাওয়ার খবর শুনেই তাঁরা পালিয়ে গেছেন। এ হত্যার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের তিনি দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান।

হরিণাকুন্ডু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় নিহত আসমানী খাতুনের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন