বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ায় আনন্দ প্রকাশ করে শাহিদা বলেন, ‘জনগণের ভালোবাসায় আমি নির্বাচিত হয়েছি। আমি আমাদের (হিজড়া) অধিকার নিশ্চিত করার জন্য নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলাম। হিজড়া সম্প্রদায়ের লোকদের অধিকার আদায়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। আর সব সময়ই গরিব, দুঃখী ও বঞ্চিত লোকদের পাশে থাকব। আমি কোনো দিন কোনো মানুষকে কটু কথা বলিনি। কাউকে বিরক্ত করিনি। এ কারণে মানুষ আমাকে মূল্যায়ন করেছেন।’

সংরক্ষিত ওই মহিলা ওয়ার্ডে মোট পাঁচজন প্রার্থী ছিলেন। ভোটে শাহিদা পেয়েছেন ২ হাজার ৭৪০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লাইলা বেগম পেয়েছেন ১ হাজার ৭১৪ ভোট
সংরক্ষিত ওই মহিলা ওয়ার্ডে মোট পাঁচজন প্রার্থী ছিলেন। ভোটে শাহিদা পেয়েছেন ২ হাজার ৭৪০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লাইলা বেগম পেয়েছেন ১ হাজার ৭১৪ ভোট

খুলনা জেলা জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কর্মকর্তা এম মাজহারুল ইসলাম বলেন, ২০১৪ সালের ২৬ জানুয়ারি হিজড়া জনগোষ্ঠীকে লিঙ্গ হিসেবে ‘হিজড়া’ পরিচয় স্বীকৃতি দিয়ে গেজেট প্রকাশ করে সরকার। তবে ভোটার তালিকায় নারী-পুরুষের পাশাপাশি তৃতীয় লিঙ্গ হিসেবে হিজড়া ঘরটি যুক্ত হয় ২০১৯ সালে থেকে। এর আগে হিজড়াদের ভোটার হতে হলে নারী বা পুরুষ হিসেবে লিঙ্গ পরিচয়ের ঘর পূরণ করতে হতো। এদিকে এখনো নির্বাচনে প্রার্থী হতে হলে কোনো হিজড়াকে আবেদনপত্রে নারী বা পুরুষ লিঙ্গ পরিচয়ের ঘর পূরণ করতে হয়। সেখানে ‘হিজড়া’ ঘরটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। যদিও হিজড়ারা নিজেদের নারী বা পুরুষ হিসেবে নয়, হিজড়া পরিচয়েই তুলে ধরতে চান। এর আগে বেশ কয়েকজন হিজড়া দেশের বিভিন্ন নির্বাচনে প্রার্থী হন। তবে পরিচয় হিসেবে তাঁদেরও বেছে নিতে হয়েছিল ‘নারী’ পরিচয়। শাহিদা বিবিও ভোটার তালিকায় নারী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

খুলনায় দ্বিতীয় ধাপে ৪টি উপজেলার ২৫টি ইউপিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার এসব ইউপিতে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। মাগুরাঘোনা ইউপি থেকে শাহিদা বিবি সংরক্ষিত মহিলা সদস্যপদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনে তাঁর প্রতীক ছিল মাইক। সংরক্ষিত ওই মহিলা ওয়ার্ডে মোট পাঁচজন প্রার্থী ছিলেন। ভোটে শাহিদা পেয়েছেন ২ হাজার ৭৪০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লাইলা বেগম পেয়েছেন ১ হাজার ৭১৪ ভোট।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন