বিজ্ঞাপন

গতকাল শনিবার রাতে নিজের ফেসবুক থেকে ইংরেজিতে দেওয়া স্ট্যাটাসে মোকতাদির চৌধুরী বলেন, ‘আমি চাই আমার এজাহারটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানায় আইসিটি আইনে নিয়মিত মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হোক অথবা প্রত্যাখ্যান করা হোক। যাতে আমি আদালতে মামলা করতে পারি। এটা ২৪ তারিখের মধ্যে (২৪ মে সোমবার) করুন। এটা আমার আলটিমেটাম।’

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সাংসদের এজাহারে উল্লেখিত ফেসবুকের লিংকগুলো থেকে রাষ্ট্রবিরোধী ও উত্তেজনাকর পরিস্থতি তৈরির পোস্ট দেওয়া হয়েছিল কি না, সেটি পরীক্ষা করে মতামত দেওয়ার জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) কাছে চিঠি দেয় সদর থানা–পুলিশ। কিন্তু তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এজাহারটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়নি।

সাংসদ মোকতাদির চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ‘২৪ মের মধ্যে যদি আমার এজাহার নিয়মিত মামলা হিসেবে নথিভুক্ত না করা হয়, তাহলে আমি আদালতে যাব।’

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমরানুল ইসলাম বলেন, এটি মতামতের জন্য সিআইডিতে পাঠানো হয়েছে। সিআইডির মতামত এখনো পাওয়া যায়নি। অন্যান্য মামলার ক্ষেত্রে মতামত আসতে দু-তিন সপ্তাহ বা কমবেশি সময় লাগে বলে জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফর, ঢাকার বায়তুল মোকাররম ও চট্টগ্রামের হাটহাজারীর মাদ্রাসার ঘটনার প্রতিবাদে গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সহিংসতা চালান হেফাজতে ইসলামের নেতা–কর্মী ও সমর্থকেরা। এসব ঘটনায় জেলায় ১৫ জন নিহত হন। এখন পর্যন্ত এসব ঘটনায় ৫৬টি মামলা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন