বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ট্রাফিক বিভাগের পরিসংখ্যান থেকে জানা যায়, নগরের কেওয়াটখালী থেকে গুমটি পর্যন্ত এ ১০টি রেলক্রসিংয়ের অবস্থান। সকাল ৭টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত এসব ক্রসিং পার হয়ে ২৬টি ট্রেন মোট ৪৭ বার চলাচল করে। প্রতিবার ট্রেন পার হওয়ার অন্তত পাঁচ মিনিট আগে সড়ক বন্ধ করে দেওয়া হয়। সড়ক বন্ধ থাকার সময় দুই পাশে যত্রতত্রভাবে বিভিন্ন যানবাহন দাঁড়িয়ে যায়। ন্যূনতম ১০ মিনিট এ যানজট থাকে। এতে ১০টি রেলক্রসিংয়ে প্রতিদিন ৪৭০ মিনিট সময় ব্যয় হয়, যা প্রায় আট ঘণ্টার সমান।

গতকাল রোববার সকালে নগরের মাদ্রাসা কোয়ার্টার রেলক্রসিংয়ে দেখা যায়, ট্রেনের জন্য সড়ক বন্ধ। এ সময় রেললাইনের দুই পাশে ইজিবাইক, রিকশা আর মোটরসাইকেল যত্রতত্রভাবে দাঁড়িয়ে আছে। প্রায় ৮ মিনিট পর সড়ক উন্মুক্ত হয়। এরপর অন্তত ২০ মিনিট যানজট লেগে থাকে।

মাদ্রাসা কোয়ার্টার এলাকার ব্যবসায়ী লিটন মিয়া বলেন, রেলক্রসিংয়ের কারণে দিনের বেশির ভাগ সময় সড়কে যানজট থাকে। বিশেষ করে সকালে স্কুল-কলেজ আর কর্মস্থলে যাওয়া মানুষের ভোগান্তি বেশি হয়।

এলাকার লোকজন বলেন, নগরের সি কে ঘোষ রোড, আলিয়া মাদ্রাসা মোড়, সানকিপাড়া ও নতুন বাজার রেলক্রসিংগুলো একেবারে নগরের প্রায় মধ্যস্থলে। ট্রেন আসা-যাওয়া করার সময় এসব সড়ক বন্ধ থাকলে যানজটের সৃষ্টি হয়।

রেলওয়ের ময়মনসিংহের সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী নারায়ণ প্রসাদ সরকার বলেন, রেলক্রসিংয়ের কারণে যানজট সৃষ্টি হলেও স্টেশন সরিয়ে নেওয়া সহজ কথা নয়। ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে রেলমন্ত্রীর কাছে এ দাবি জানানো হয়েছে কি না, তা তাঁর তা জানা নেই।

ময়মনসিংহ ট্রাফিক বিভাগের পরিদর্শক (প্রশাসন) সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, নগরের ভেতর থাকায় রেলক্রসিংগুলো নগরের যানজটের অন্যতম প্রধান কারণ। নগরের ভেতর থেকে রেলস্টেশন সরিয়ে নেওয়া হলে যানজট কমে যাবে বলে মনে করেন তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন