বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নাছিমা বলেন, করোনার কারণে বিদ্যালয় যখন বন্ধ ছিল, রাতের বেলায় প্রায়ই দেয়াল টপকে ক্যাম্পাসে থাকা পুকুরে মাছ ধরতে আসত অনেকে। এখন দিনের বেলাতেও বহিরাগতরা দেয়াল টপকে দা হাতে নিয়ে গাছের নারকেল পাড়তে ঢুকে পড়ে। এখন অবস্থা এমন যে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মীদের অনেক কাজ তাঁকে করতে হচ্ছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের ময়মনসিংহ অঞ্চলের উপপরিচালক আবু নুর মোহাম্মদ আনিসুল চৌধুরী বলেন, প্রায় দেড় বছর আগে তিনি একবার শিক্ষকদের শূন্য পদ পূরণের দাবিতে আবেদন করেছিলেন। তৃতীয় বা চতুর্থ শ্রেণির শূন্য পদের জন্য কোনো আবেদন করেননি। প্রধান শিক্ষক আবেদন পাঠালে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন