default-image

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে দিনাজপুরের বিভিন্ন উপজেলায় জনসমাগম হয়, এমন জায়গাগুলোতে ৪৬টি বেসিন নির্মাণ করেছিল জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। প্রতিটি বেসিনে নির্মাণ ব্যয় ধরা হয় ৩০ হাজার ১০০ টাকা করে। দেশে করোনা পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না এলেও এসব বেসিনের ব্যবহার কমে গেছে। হাত ধোয়ার উপকরণও রাখা হয় না বেসিনগুলোতে।

তবে সিভিল সার্জনের অফিস থেকে বলা হয়েছে, বেসিনগুলোতে নিয়মিতই সাবান রাখা হয়। কিন্তু সাবান থাকে না। চুরি হয়ে যায়। আবার কোথাও সাবান থাকলেও মানুষের মধ্যে এখন আর হাত ধোয়ার আগ্রহ নেই।

বিজ্ঞাপন

৪৬টি বেসিন নির্মাণে মোট ব্যয় হয় প্রায় ১৩ লাখ ৮৪ হাজার ৬০০ টাকা। সম্প্রতি সদর উপজেলায় নির্মিত ১০টি বেসিনে দেখা যায়, কোথাও পানি ভর্তি আবার কোথাও ময়লা জমে আছে। নেই হাত ধোয়ার সাবান। এম আবদুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বেসিনে উপচে পড়ছে ময়লা পানি, জমেছে শেওলা। একই অবস্থা রেলস্টেশন, পৌরসভার প্রধান ফটক, ট্রেজারি অফিস, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনেও।

এ নিয়ে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মুরাদ হোসেন বলেন, ৩ ভাগে টেন্ডারের মাধ্যমে জেলায় ৪৬টি বেসিন নির্মাণ করা হয়। বেসিনগুলো নির্মাণ করার পর প্রতিটি বেসিনের বিপরীতে কিছু সাবান সংশ্লিষ্ট অফিসগুলোতে দেওয়া হয়। সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কর্মচারী মো. খোকন বলেন, বেসিনে নিয়মিত সাবান রাখা হয়। কিন্তু সাবান চুরি হয়ে যায়। মানুষ হাত ধুতে চায় না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন