এতে পরিবার নিয়ে বেকায়দায় পড়েছেন শিক্ষকেরা। পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগেই তাঁরা বেতন-ভাতা পেতে চান।

কলেজের অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক নার্গিস আফরোজ ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক লুত্ফুন নাহার বলেন, ‘২১ মাস ধরে বেতন–ভাতা পাচ্ছি না। আগের অধ্যক্ষ বেতন আটকে দিয়ে গেছেন।’

পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মোহাম্মদ সোহেল কবীর বলেন, ‘জাতীয়করণকৃত কলেজশিক্ষক আত্তীকরণ বিধিমালা ২০০০ অনুযায়ী আমরা বেতন তুলেছি। ২০১৭ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর সারা দেশের ১২টি কলেজ জাতীয়করণ করা হয়। এর মধ্যে চট্টগ্রামের একটি কলেজও আমরা যে বিধিমালায় বেতন–ভাতা নিয়েছি, তাঁরাও নিয়েছে। অথচ ওদের কোনো বেতন আটকানো হয়নি।’

গণিত বিভাগের প্রভাষক কাজী মোহাম্মদ ফারুক বলেন, ‘আগের অধ্যক্ষ শিক্ষকবান্ধব ছিলেন না। ওনার কারণে আমরা ১৯ মাস বেতন পাচ্ছি না।’

কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ এ কে এম এমদাদুল হক বলেন, ‘নিয়মবহির্ভূতভাবে ১৫ শিক্ষক বেতন নেওয়ায় আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।’

কলেজের বর্তমান অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আবুল হোসেন বলেন, ‘শিক্ষকদের বেতন পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু করেছি। সংশ্লিষ্ট মহলের সঙ্গে কথা হচ্ছে। আশা করি একটি সমাধান শিগগিরই হবে। শিক্ষক পড়াবেন, পরীক্ষা নেবেন, দাপ্তরিক কাজ করবেন, কিন্তু বেতন পাবেন না, এটা হতে পারে না। আমি এ কলেজে যোগ দিয়েছি আট দিন হলো।’

জেলা অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফিন্যান্স অফিসার মো. আবুল বাসার বলেন, শিক্ষকদের বেতন–ভাতা নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে চিঠি চালাচালি হচ্ছে। একই সঙ্গে উত্তোলন করা অতিরিক্ত টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য বলা হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন