বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পাথরের আঘাতে কারও মৃত্যু হলে মৃত্যুদণ্ডের বিধান। তবে এ পর্যন্ত পাথর মারার দায়ে যাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, তাদের প্রায় সবাই শিশু, টোকাই, ভবঘুরে অথবা অপ্রকৃতিস্থ। ফলে কাউকে সাজা দেওয়া যায়নি। এ জন্য সচেতনতায় জোর দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি আইনের প্রয়োগে তত্পরতা বাড়ানো হচ্ছে। মন্ত্রী জানান, রেলওয়েতে গত জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে ১১০টি, এতে ট্রেনের জানালার কাচ ভেঙেছে ১০৩টি এবং আহত হয়েছেন ২৯ জন।

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপপ্রবণ এলাকার নাম প্রকাশ করেন মন্ত্রী। স্থানগুলোর মধ্যে পূর্বাঞ্চলের চার জেলার পাঁচটি স্থান হচ্ছে চট্টগ্রামের পাহাড়তলী, সীতাকুণ্ড-বাড়বকুণ্ড এলাকা; ফেনীর ফাজিলপুর-কালীদহ এলাকা, নরসিংদী শহর, জিনারদী ও ঘোড়াশাল এলাকা।

পশ্চিমাঞ্চলের ১০টি জেলার ১৫টি স্থানে বেশি পাথর মারা হয়। এলাকাগুলো হচ্ছে চুয়াডাঙ্গা, নাটোরের আব্দুলপুর, সিরাজগঞ্জ জেলার শহীদ এম মনসুর আলী স্টেশন, সিরাজগঞ্জের বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম রেলওয়ে স্টেশন, পাবনার মুলাডুলি, পঞ্চগড় জেলা ও ঠাকুরগাঁও জেলার কিসমত-রুহিয়া, পাবনার ভাঙ্গুরা, বগুড়ার ভেলুরপাড়া, গাইবান্ধার বামনডাঙ্গা, জয়পুরহাট জেলার আক্কেলপুর রেলওয়ে স্টেশন এলাকা, সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া রেলওয়ে স্টেশন এলাকা, সিরাজগঞ্জের সলপ রেলওয়ে স্টেশন এলাকা, সিরাজগঞ্জের জামতৈল রেলওয়ে স্টেশন এলাকা, পাবনা জেলার বড়ালব্রিজ রেলওয়ে স্টেশন এলাকা, খুলনার ফুলতলা স্টেশন এলাকা।

রেলমন্ত্রী বলেন, উপমহাদেশে ১৮৫৩ সালে যাত্রীবাহী ট্রেন চালু হওয়ার পর কোনো না কোনো স্থানে ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। স্বাধীনতা–উত্তরকালে ট্রেনে পাথর নিক্ষেপের বেশ কিছু ঘটনা ঘটেছে এবং ক্রমেই তা সমস্যায় পরিণত হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন