আজ বেলা ১১টা দিকে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স নারায়ণগঞ্জ অফিসের উপসহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আরেফিন প্রথম আলোকে বলেন, কারখানার ভেতরে প্লাস্টিক ও রাসায়নিক পদার্থ আছে। যে কারণে আগুন নেভানোর পর আবার জ্বলে উঠছে। আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের ১৮টি ইউনিট কাজ করছে। কারখানার নিচতলা থেকে চতুর্থ তলা পর্যন্ত তাঁরা আগুন নেভাতে পেরেছেন। কিন্তু পঞ্চম তলা ও ষষ্ঠ তলায় আগুন জ্বলছে। প্রচণ্ড কালো ধোঁয়া ও আগুনের কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে রূপগঞ্জের ভুলতায় জুস কারখানার ছয়তলা ভবনের নিচতলা থেকে আগুনের সূত্রপাত। এ সময় প্রাণ বাঁচাতে ভবনটি থেকে লাফিয়ে পড়েন শ্রমিক স্বপ্না রানী (৪৪) ও মিনা আক্তার (৩৪)। ঘটনাস্থলেই তাঁরা দুজন মারা যান। এরপর মোরসালিন (২৮) নামের একজন শ্রমিক প্রাণ বাঁচাতে ওই ভবনের তৃতীয় তলা থেকে লাফ দেন। মোরসালিনকে রাত ১১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ্ প্রথম আলোকে বলেন, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শামীম ব্যাপারীকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটিকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। তিনি আরও জানান, অগ্নিকাণ্ডে নিহত ব্যক্তিদের পরিবারকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ২০ হাজার টাকা এবং গুরুতর আহত ব্যক্তিদের পরিবারপ্রতি ১০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।