বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শুক্রবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে বরিশাল নগরের শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত সেতুতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান। ওসি জানান, দুর্ঘটনার পর রুপাতলী বাসমালিক সমিতির রাতুল-রোহান নামের বাসটি আটক করা হয়েছে।

নিহত তিনজন হলো বাকেরগঞ্জ পৌর শহরের সুমন হাওলাদারের ছেলে সিয়াম, জয়দেব দাসের ছেলে চয়ন দাস এবং রাব্বি। তারা সবাই বাকেরগঞ্জ জেএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র।

মোটরসাইকেলটি বেপরোয়া গতিতে একটি বাসকে ওভারটেক করছিল। তখন বিপরীত দিক থেকে আরও একটি বাস এসে পড়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ওই বাসের সঙ্গে ধাক্কা লেগে তিন কিশোর ছিটকে পড়ে।

ওই কিশোর দলের রাকিব ও তপু জানায়, তারা ১৮ জন বন্ধু ৬টি মোটরসাইকেল নিয়ে শুক্রবার বিকেলে ঘুরতে বের হয়। বাকেরগঞ্জ থেকে তারা বরিশালের দিকে যাচ্ছিল। কীর্তনখোলা নদীর ওপর আবদুর রব সেরনিয়াবাত সেতুর পূর্ব পাড় থেকে সেতুতে ওঠার সময় সবার পেছনে ছিল রাব্বী, সিয়াম ও চয়নকে বহনকারী মোটরসাইকেলটি। তারা সেতুর ওপরে ওঠার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বাস তাদের মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দিলে তিনজন সড়কে ছিটকে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় সিয়াম ও চয়ন। গুরুতর আহত হয় রাব্বি।

তাদের তিনজনকে উদ্ধার করে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক মাহতাব হোসেন দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসাধীন রাব্বী রাত সাড়ে ৯টায় মারা গেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার আবুল কালাম আজাদ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মোটরসাইকেলটি বেপরোয়া গতিতে একটি বাসকে ওভারটেক করছিল। তখন বিপরীত দিক থেকে আরও একটি বাস এসে পড়ায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ওই বাসের সঙ্গে ধাক্কা লেগে তিন কিশোর ছিটকে পড়ে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন