বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ সময় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কুয়াকাটা হোটেল মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব এম এ মোতালেব শরীফ। তিনি বলেন, সরকার ঘোষিত শতভাগ বিদ্যুতায়নের সুফল থেকে কুয়াকাটা এলাকা বঞ্চিত। এমন কোনো দিন নেই যে সেখানে ১০-১২ বার বিদ্যুৎ–বিভ্রাট হয় না। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না। ভোল্টেজ এতই কম থাকে যে হোটেল–মোটেলসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের এসি, টিভি, ফ্রিজসহ ইলেকট্রনিক সামগ্রী অচল হয়ে যাচ্ছে। ফলে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

মোতালেব শরীফ বলেন, পর্যটকেরা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে কুয়াকাটায় ভ্রমণের আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন। তাঁরা তিন দিনের পরিবর্তে এক দিন অবস্থান করেই ফিরে যাচ্ছেন। নিকটস্থ বিদ্যুৎ অফিসে বারবার তাগাদা দেওয়া সত্ত্বেও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি।

রোটারি ক্লাব বাংলাদেশের সাবেক গভর্নর শওকত আলী বলেন, গত দেড় বছরে কুয়াকাটার হোটেলমালিকেরা দেউলিয়া হওয়ায় মতো অবস্থায় গেছেন। করোনার কারণে এত দিন হোটেলগুলো বন্ধ ছিল। এখন খুলে দেওয়া হলেও বিদ্যুতের সমস্যা রয়েই গেছে। এর ফলে কুয়াকাটা পর্যটন নগরী হিসেবে পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে পারছে না।

কুয়াকাটা ক্লাবের সভাপতি ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, যেকোনো উন্নয়নের পেছনে বিদ্যুৎ থাকা অত্যাবশ্যক। বিদ্যুৎ না থাকলে পর্যটকও থাকবেন না।

সংবাদ সম্মেলন থেকে কুয়াকাটা পর্যটন নগরীতে বিদ্যুতের সাবস্টেশন স্থাপনের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি জানানো হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন