বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সেতুর দুই পাশে ইজিবাইকের সারি। সোনারামপুর ও নরসিংদীর সদরের চরদিঘলদী ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম থেকে মানুষ সেতু পর্যন্ত যাচ্ছে। পরে তারা হেঁটে সাঁকো পার হয়ে দুই পাশে থাকা ইজিবাইকে উঠে যাতায়াত করছে। স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, এভাবে আসা-যাওয়া করতে তাঁদের ইজিবাইকের ভাড়া গুনতে হচ্ছে বেশি। সময়ও নষ্ট হচ্ছে।

মরিচাকান্দি ডিটি একাডেমির ছাত্রী স্মৃতি আক্তার বলে, সেতুর দুই পাশে ইজিবাইক যাত্রীদের জন্য বসে থাকে। এতে বিদ্যালয়ে যেতে এবং বাড়িতে ফিরতে তাদের অনেক সময় লেগে যায়।

স্থানীয় বাসিন্দা সিরাজ মিয়া বলেন, ‘কাঠ ও বাঁশ দিয়া পুল বানাই। কয়েক দিন পরপরই পুল ঠিক (মেরামত) করি। অহন পর্যন্ত তিন দফায় টাকা তুলছি। যে যত পারছে, টাকা দিছে।’

স্থানীয় লোকজন বলেন, চরমরিচাকান্দি কালভার্ট এলাকা দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৫০ হাজার মানুষ যাতায়াত করে। সোনারামপুর ইউনিয়নের ১১ গ্রামের মানুষকে এ কালভার্ট দিয়ে বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় যেতে হয়। পার্শ্ববর্তী নরসিংদীর সদরের চরদিঘলদী ইউনিয়নের ৮টি গ্রামের মানুষও চরমরিচাকান্দি এলাকা দিয়ে বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় যাতায়াত করে। এ সড়ক দিয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ট্রাক, মোটরসাইকেল, ইজিবাইক, মাইক্রোবাস, রিকশা চলাচল করত। এখন শুধু ভ্যান ও মোটরসাইকেল চলে। অন্যদিকে কয়েক দিন পরপর বাঁশ ও কাঠ সরে যায়। ফলে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয় তাদের।

সোনারামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খোদা মো. শাহিন বলেন, সেতু নির্মাণের জন্য স্থানীয় সাংসদ ও উপজেলা প্রকৌশলীকে তিনি বলেছেন।

উপজেলা প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর হোসাইন বলেন, সেখানে সেতু নির্মাণের জন্য মাটি পরীক্ষা করা হচ্ছে। কার্যক্রম চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন