মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে আহ্বায়ক গোলাম ফারুক বলেন, ‘শাওনকে মিছিলে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। শাওন হত্যার পর পরিবারকে দিয়ে আবার বিএনপির নেতা–কর্মীদের বিরুদ্ধে পুলিশ মিথ্যা মামলা করিয়েছে। আমরা শাওন হত্যার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। যত দিন খালেদা জিয়া মুক্ত না হবেন, দেশের গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার দেশের মানুষ ফিরে না পাবে, তত দিন রাজপথে এ আন্দোলন চলছে, চলবে।’

ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রিজাউল হক প্রথম আলোকে বলেন, সকালে যুবদলের ৫০ থেকে ৬০ নেতা–কর্মী অল্প সময়ের জন্য শোকমিছিল বের করেছিলেন। পুলিশ তাঁদের সঙ্গে ছিল, তবে বাধা দেওয়া হয়নি।

এর আগে হত্যাকাণ্ডের ঘটনার ছয় দিন পর গতকাল বুধবার নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদল শহরের খানপুর বরফকল এলাকায় শোকমিছিল ও সমাবেশ করেছিল।

গত বৃহস্পতিবার নারায়ণগঞ্জে বিএনপি ও পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষ চলাকালে গুলিবিদ্ধ হয়ে যুবদল কর্মী শাওন প্রধানের মৃত্যু হয়। বিএনপি তাঁকে যুবদলের কর্মী বলে দাবি করে। বিএনপির মিছিলে অংশ নেওয়া শাওনের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। অন্যদিকে ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগ শাওনকে যুবলীগের কর্মী দাবি করে মিছিল করে। শাওন মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশ শাওনে বড় ভাই মিলন হোসেনকে দিয়ে বিএনপির পাঁচ হাজার নেতা–কর্মীসহ অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করে। এ ছাড়া পুলিশের ওপর হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে জেলা বিএনপির ৭১ নেতা–কর্মীর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ৭০০ থেকে ৮০০ নেতা–কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন