নিহত যুবকের পরিবার ও পুলিশের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আজ সকালে স্থানীয় লোকজন উপজেলার সিডিএ আবাসিক এলাকার মাঠে এক যুবকের লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে সকাল ১০টার দিকে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

নিহত যুবকের বাবা আবু তাহের বলেন, তাঁর ছেলে কায়েস নগরীর ফিসারিঘাটে ব্যবসা করতেন। ব্যবসায়িক কাজে কায়েস প্রতিদিন শহরে আসা-যাওয়া করতেন। প্রতিদিনের মতো গতকাল সকালে কায়েস বাড়ি থেকে বের হন। বেলা দুইটার পর থেকে কায়েসের মুঠোফোন নম্বর বন্ধ ছিল। এর পর থেকে তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। রাতে কায়েস বাড়িতেও ফেরেননি। আবু তাহের দাবি করেন, তাঁর ছেলের সঙ্গে কারও শত্রুতা ছিল কি না, তিনি সেটা জানেন না। কে বা কারা তাঁকে মারল, সেটা তিনি জানেন না।

কর্ণফুলী থানার শিকলবাহা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. মোবারক হোসেন বলেন, লাশের সুরতহাল প্রতিবেদনে দেখা গেছে, নিহত যুবকের বুক, পিঠ ও ঘাড়ে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন আছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

কর্ণফুলী জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) মো. আরিফ হোসেন বলেন, ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনের চেষ্টা চলছে।