পাকুল্যাতে আন্ডারপাস নির্মাণের দাবিতে বেলা ১১টার দিকে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি শুরু করেন এলাকাবাসী। দুপুর ১২টার দিকে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. আতাউল গণি ও পুলিশ সুপার (এসপি) সরকার মোহাম্মদ কায়সার রহমান প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দুর্ঘটনা রোধে পাকুল্যা বাসস্ট্যান্ডে পদচারী–সেতু নির্মাণের লক্ষ্যে স্থান নির্ধারণ করতে আসেন।

এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য খান আহমেদ শুভ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) আমিনুল ইসলাম, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি গালাম নওজব চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মীর শরীফ মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক তাহরীম হোসেনসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতেই এলাকাবাসী পদচারী–সেতু নয়, আন্ডারপাস নির্মাণের দাবিতে মহাসড়কে অবস্থান নেন। সেখানে কয়েক শ মানুষ ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে ‘ফুটওভার ব্রিজ নয়, আন্ডারপাস চাই’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন। এ সময় মহাসড়কে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

তবে সংসদ সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে ডিসি ও এসপি পাকুল্যা বাসস্ট্যান্ডের দক্ষিণ পাশে পদচারী–সেতু নির্মাণের জন্য জায়গা নির্ধারণ করার পাশাপাশি প্রশাসনের পক্ষ থেকে আন্ডারপাস নির্মাণের চেষ্টা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন। তখন এলাকাবাসী তাঁদের কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন। পরে মিলগেট এলাকায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পদচারী–সেতু নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিলে সেখানেও কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

সংসদ সদস্য খান আহমেদ শুভ জানান, প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুটি স্থানেই পদচারী–সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবির বিষয়টি বিবেচনায় রেখে পাকুল্যায় আন্ডারপাস নির্মাণের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন