মাদক, ধর্ষণকে রাজনৈতিক ক্ষমতা দিয়ে পৃষ্ঠপোষকতা করা হবে না: জোনায়েদ সাকি

মাদকবিরোধী নাগরিক সমাবেশ প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি। আজ শনিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মাওলাগঞ্জ বাজার মিলনায়তনেছবি: সংগৃহীত

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি বলেছেন, ‘মাদকের বিষয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। এই ঘোষণার কথা আমরা আগেও শুনেছি। কিন্তু এইবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষণা দিয়েছেন, মাদক, নারী ধর্ষণ এগুলোকে রাজনৈতিক ক্ষমতা দিয়ে আর কোনো পৃষ্ঠপোষকতা অথবা কোনো প্রশ্রয় অথবা তদবির কোনোভাবেই গ্রহণ করবেন না। ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুলিশ বাহিনীসহ প্রশাসনকে এ বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন। মাদক নির্মূলে প্রশাসনকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে হবে।’

আজ শনিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার মাওলাগঞ্জ বাজার মিলনায়তনে আয়োজিত মাদকবিরোধী নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জোনায়েদ সাকি এ কথা বলেন। বাঞ্ছারামপুর উপজেলা প্রশাসন এই সভার আয়োজন করে।

পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে আরও সচেতন ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘মাদকের ভয়াবহতা থেকে তরুণ সমাজকে রক্ষা করতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। আমরা রাজনৈতিক নেতারা, এখানে সব ইউনিয়ন নেতাও আছেন, বাঞ্ছারামপুরের নেতারা আছেন। কেবল বিএনপি নয়, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি, গণসংহতি আন্দোলনসহ সবাই মিলে বাঞ্ছারামপুরে সব সামাজিক-রাজনৈতিক নেতৃত্ব প্রশাসনকে আজকে এই জায়গায় নিশ্চয়তা দিচ্ছে যে আপনারা স্বাধীনভাবে এখানে কাজ করবেন। বাঞ্ছারামপুরে কোনো লোক মাদক ব্যবসায়ীকে আর প্রশ্রয় দেবে না।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মো. আবু সাঈদের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনের সংসদ সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এম এ খালেক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাহ আব্দুর রউফ, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য রফিক সিকদার, জিয়াউদ্দিন জিয়া, বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান প্রমুখ। সভায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতা–কর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।