আহত ব্যক্তিরা হলেন প্রদীপ জুয়েলার্স নামের ওই জুয়েলারি দোকানের মালিক অধীর কর্মকার ও পাশের হার্ডওয়্যার দোকানের মালিক মো. শাহিন। অধীর কর্মকারকে প্রথমে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। আর শাহিনকে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাত ১০টার দিকে ৪-৫ জনের ডাকাত দল প্রাইভেট কার নিয়ে অধীর কর্মকারের দোকানে আসে। তারা অধীর ও তাঁর ভাই সুধীর কর্মকারকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে দোকানে থাকা স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়। লুটপাটে বাধা দেওয়ায় দুর্বৃত্তরা অধীর কর্মকারের পায়ে গুলি ও মাথায় আঘাত করে। যাওয়ার পথে বোমা ফাটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে গফরগাঁওয়ের দিকে পালিয়ে যায় ওই প্রাইভেট কার। এতে পাশের হার্ডওয়্যার দোকানের মালিক শাহিনও আহত হন। ডাকাত দল চলে যাওয়ার পর স্থানীয় লোকজন অধীর কর্মকার ও শাহিনকে উদ্ধার করে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা মেহেদী হান্নান বলেন, অধীর কর্মকারের বাঁ পায়ে গুলি লেগেছে।
অধীর কর্মকারের ভাই সুধীর কর্মকার বলেন, গতকাল রাতে তাঁরা দুই ভাই দোকানে ছিলেন। এ সময় ৪-৫ জন ডাকাত তাঁদের দোকানে ঢুকে মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে প্রায় ২৫০ ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে গেছে।

পাশের হার্ডওয়্যার দোকানের মালিক শাহিন ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রথম আলোকে বলেন, একটি প্রাইভেট কার থেকে নেমে পাঁচজন লোক দোকানে ঢুকেছে। কিছুক্ষণ পর তিনটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। বিস্ফোরিত বোমার বিকট শব্দ ও ধোঁয়ায় আশপাশের এলাকা অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে যায়। ওই সময় বিদ্যুৎ ছিল না।

এ বিষয়ে ভালুকা মডেল থানার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বোমা বিস্ফোরিত হওয়ার ঘটনা সত্য। এ ঘটনায় বেলা ১১টা পর্যন্ত থানায় মামলা হয়নি। তবে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন