তরিকুল ইসলাম অভাবের কারণে এমনটা করেছেন বলে তাঁর স্ত্রী নাদিরা আক্তার দাবি করেছেন।

তিনি প্রথম আলোকে বলেন, তিন সপ্তাহ আগে কাজের সন্ধানে গ্রামের বাড়ি থেকে তামান্না ও তাঁকে নিয়ে গাজীপুরে আসেন তাঁর স্বামী। তাঁদের সাড়ে তিন বছরের আরেক সন্তানকে গ্রামের বাড়ি রেখে আসেন। গাজীপুরে তাঁরা কাশিমপুর থানাধীন পূর্ব এনায়েতপুরের সবুজ কানন এলাকার বাসা ভাড়া নেন। এরপর স্থানীয় পোশাক কারখানায় চাকরি নেন তাঁরা দুজন।

তরিকুল অভাবের কারণে কিছুদিন ধরে মানসিক অস্থিরতায় ভুগছিলেন বলে দাবি করেন নাদিরা আক্তার।

তিনি আরও বলেন, তিনি আজ তামান্নাকে বাসায় রেখে কাজে গেলেও তাঁর স্বামী কাজে যাননি। এই সুযোগে দুপুরে মেয়েকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করে নিজে ব্লেডের টুকরো গিলে আত্মহত্যার চেষ্টা চালান। প্রতিবেশীরা টের পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তামান্নার লাশ উদ্ধার এবং গুরুতর আহতাবস্থায় তরিকুলকে আটক করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

কাশিমপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নাহিদ আল রেজা প্রথম আলোকে বলেন, ওই ব্যক্তি (তরিকুল) ব্লেড গিলে ফেলায় কথা বলতে পারছেন না। তবে লিখে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য সন্ধ্যায় গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।