গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন উখিয়ার কুতুপালং আশ্রয়শিবিরের বাসিন্দা মো. আবদুস সালামের ছেলে মো. আলী হোসেন (৩৪), শহিদুল্লাহর ছেলে মো. ইউনুস (৩৭) ও মো. হাসু মিয়ার ছেলে হোসেন আহম্মেদ (২৫)।

কক্সবাজার ৩৪ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক কর্নেল মো. মেহেদি হোসাইন কবির স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মিয়ানমার থেকে ইয়াবার চালান আসছে, এমন তথ্য জানার পর বিজিবির বিশেষ দল সীমান্তখুঁটি ৩৯-এর কাছে উখিয়া তুলাতলী বেতবুনিয়াতে ফাঁদ পেতে থাকে। আজ ভোর চারটার দিকে কতিপয় ব্যক্তিকে সীমান্ত এলাকার দিক থেকে আসতে দেখে বিজিবি টহল দল তাঁদের চ্যালেঞ্জ করে। এ সময় চোরাকারবারিরা দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় তিনজনকে ধরে ফেলে বিজিবি। দুজন পালিয়ে যান।

ওই তিনজনের কাছ থেকে তিন কোটি টাকা মূল্যের এক লাখ ইয়াবা জব্দ করা হয়। তিনজনকে ইয়াবাসহ উখিয়া থানায় হস্তান্তর করে মামলা করা হয়। মামলায় আরও দুজনকে পলাতক আসামি দেখানো হয়েছে।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী প্রথম আলোকে বলেন, তিন আসামিকে আগামীকাল বুধবার কক্সবাজার আদালতে নিয়ে পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হবে।

গতকাল সোমবার রাত থেকে কক্সবাজারের উখিয়ার পালংখালী সীমান্তের বিপরীতে নতুন করে শুরু হয়েছে মুহুর্মুহু গুলিবর্ষণ, মর্টারের শেল নিক্ষেপ। আজ বিকেল পর্যন্ত ঘুমধুম থেকে উখিয়ার পালংখালী পর্যন্ত অন্তত ৫০ কিলোমিটার সীমান্তে থেমে থেমে মর্টারের শেল নিক্ষেপ ও গুলিবর্ষণ হয়েছে। আতঙ্কে বাংলাদেশ সীমান্তের মানুষ। কিন্তু এত গোলাগুলির মধ্যেও থেমে নেই মাদক চোরাচালান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন