বৃদ্ধার পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, একজন পুলিশ কর্মকর্তা মঞ্জিলা বেগমকে তিন হাজার টাকা দিয়েছেন। এলাকার ইউপি সদস্য মো. বুরহান উদ্দিন তাঁকে কয়েকটি কম্বল দিয়েছেন। কিন্তু বসতঘর নির্মাণের জন্য তিনি কোনো সহায়তা পাননি।
ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. হাফিজা জেসমিনকে বিষয়টি জানানো হলে তিনি মঞ্জিলা বেগমকে তাঁর বরাবর একটি আবেদন করতে বলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মঞ্জিলা বেগমের একমাত্র ছেলে মো. রফিক মিয়া ঢাকায় রাজমিস্ত্রির কাজ করেন। পুত্রবধূ জোসনা আক্তার পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। কাজের জন্য তাঁরা দুজনই ঢাকায় থাকেন। তারাটি গ্রামের ওই বসতঘরে রফিকের দুই সন্তান নিয়ে এই বৃদ্ধা বসবাস করেন।

মঞ্জিলা বেগম বলেন, তাঁর নাতনি (১৫) এলাকার একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী। এলাকার কিছু বখাটে নাতনিকে উত্ত্যক্ত করত। বিষয়টি গ্রামবাসীকে জানিয়েও প্রতিকার পাননি তিনি। গত সোমবার নাতনিকে নিয়ে ঢাকায় ছেলের কাছে বেড়াতে যান তিনি। সেখানে থাকা অবস্থায় জানতে পারেন, তাঁর বসতঘরটি পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এরপর তিনি গ্রামে ফিরে আসেন। পরে এ ঘটনায় বাদী হয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানায় মামলা করেন।

এ বিষয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পীরজাদা শেখ মোস্তাছিনুর রহমান বলেন, পুলিশ মামলাটির তদন্ত করছে।