হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আজ ভোররাতে রায়পুরার নীলকুঠি এলাকায় যাত্রীবাহী একটি বিআরটিসি বাস বিকল হয়ে মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে ছিল। এ সময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা লাকী এক্সপ্রেস পরিবহনের যাত্রীবাহী বাস হবিগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল। অন্যদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থেকে মাছভর্তি একটি পিকআপভ্যান শিবপুরের ইটাখোলার দিকে যাচ্ছিল। ভোররাত পৌনে চারটার দিকে লাকী এক্সপ্রেস পরিবহনের বাসটি দাঁড়িয়ে থাকা বিআরটিসি বাসকে অতিক্রম করতে গেলে বিপরীত দিক থেকে আসা পিকআপভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় ওই বাস ও পিকআপভ্যান আবার বিআরটিসির বাসটিকে ধাক্কা দেয়।

এতে পিকআপভ্যানের সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে গিয়ে ঘটনাস্থলেই সানন্দ দাস ও রেনু মিয়ার মৃত্যু হয়। পিকআপভ্যানের চালক ও চালকের সহকারীসহ অন্তত পাঁচজন আহত হন। এদিকে গুরুতর আহত অবস্থায় কামাল মিয়াকে ঢাকায় নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনের লাশ উদ্ধার করে ভৈরব হাইওয়ে থানায় নেয়। পুলিশ আহত ব্যক্তিদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠায়। পরে দুটি বাস ও পিকআপভ্যান জব্দ করে ভৈরব হাইওয়ে থানায় নেওয়া হয়।

কালিকচ্ছ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য মো. সাইদুর রহমান বলেন, গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা নেওয়ার পথে নরসিংদীতে কামাল মিয়া মারা গেছেন। তাঁর স্বজনেরা লাশ নিয়ে বাড়িতে ফিরছেন।

ভৈরব হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক বলেন, নিহত ব্যক্তিদের স্বজনেরা ইতিমধ্যে থানায় এসেছেন। এই দুর্ঘটনায় তাঁদের কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ হস্তান্তরের জন্য আবেদন করেছেন। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।