ওই নারীর আইনজীবী মাহিদুল মূলক প্রথম আলোকে বলেন, মা ছাড়া শিশুটির কোনো নিরাপদ স্থান না থাকায় ওই নারী নিজের কাছে শিশুটিকে রাখতে চান। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত মায়ের সঙ্গে শিশুটিকে কারাগারে রাখার নির্দেশ দেন। ছোট্ট শিশুদের মায়েদের সঙ্গে কারাগারে পাঠানো হয়। এটাই নিয়ম। বরং মায়ের কাছ থেকে শিশুকে বিচ্ছিন্ন রাখাই অমানবিক।

কারাবিধি অনুযায়ী, বন্দী মায়েদের সঙ্গে চার বছর বয়স পর্যন্ত শিশুরা কারাগারে থাকতে পারে। এরপর কারা তত্ত্বাবধায়কের অনুমতি নিয়ে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত রাখার নিয়ম রয়েছে।

আইনজীবী মাহিদুল মূলক জানান, ওই নারী একটি বেসরকারি সংস্থার (এনজিও) পরিচালনা কমিটির সদস্য ছিলেন। এনজিওটির বিরুদ্ধে গ্রাহকদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে একাধিক মামলা হয়। মামলায় ওই নারীকেও আসামি করা হয়। রোববার একটি মামলায় জামিন আবেদন করা হয়। আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি আনোয়ার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, সাধারণত এমন ঘটনা ঘটে থাকে। এটা মানবাধিকার লঙ্ঘনের কোনো ঘটনা নয়।