আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলায় উচ্চ আদালতে জামিনের আবেদন করলে নিম্ন আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন আদালত। সেই অনুযায়ী আজ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তাঁর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তাজকিনের আইনজীবী ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সৈয়দ ইফতেখার আলী প্রথম আলোকে বলেন, ২৪ ডিসেম্বরের ঘটনায় হওয়া মামলায় মেয়র তাজকিন আহমেদকে আসামি করা হয়েছে। অথচ মায়ের অসুস্থতার কারণে তখন তিনি ভারতে ছিলেন। তিনি ২২ ডিসেম্বর ভারতে গিয়ে ফেরেন ২৬ ডিসেম্বরে। এরপরও তাঁকে আসামি করা হয়েছে। পাসপোর্টের ফটোকপিসহ ভারতে অবস্থানের প্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছিল। কিন্তু তারপরও মেয়রের জামিন নামঞ্জুর করেন আদালত।