১৫টি পদের আটটিতেই আওয়ামীপন্থী জয়ী, বিএনপির জয় ছয়টিতে

লক্ষ্মীপুর আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিজয়ী প্রার্থীদের ফুলের মালা পরিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। গতকাল রাতে আইনজীবী সমিতির কার্যালয়েছবি: সংগৃহীত

লক্ষ্মীপুর জেলা আইনজীবী সমিতির বার্ষিক নির্বাচনে কোনো প্যানেল না দিয়েও ১৫টি পদের আটটিতেই জয় পেয়েছেন আওয়ামীপন্থী আইনজীবীরা। বাকি ছয়টিতে জয়ী হয়েছেন বিএনপিপন্থী আইনজীবী। এ নির্বাচনে প্যানেল দিলেও জামায়াতে ইসলামীপন্থী আইনজীবীদের কেউ জয়ী হননি। একটি পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।

গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৯টায় এ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু হয়। দিনব্যাপী ভোট গ্রহণ শেষে দিবাগত রাত ৩টার দিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ কে এম হুমায়ুন কবির এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

নির্বাচনে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের প্যানেল থেকে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। এ দুই পদে আওয়ামীপন্থী আইনজীবীদের কোনো প্রার্থী ছিল না। বাকি ১২টি পদের চারটিতে জয়ী হন বিএনপিপন্থীরা ও আটটিতে আওয়ামীপন্থীরা। নির্বাচনে ৩৮২ জন ভোটারের মধ্যে ৩৭০ জন ভোট দিয়েছেন।

নির্বাচনে জয়ীদের মধ্যে বিএনপিপন্থীরা হলেন—সভাপতি পদে মনিরুল ইসলাম হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক মো. রফিক উল্যা, সহসভাপতি পদে আবদুল মজিদ চৌধুরী, সহসম্পাদক পদে ফখরুল ইসলাম, পাঠাগার সম্পাদক পদে মোশারফ হোসাইন ও সদস্য পদে জাফর আহমেদ।

আর জয়ী আওয়ামীপন্থীরা হলেন—সহসভাপতি পদে আবুল খায়ের, সহসম্পাদক পদে চাঁদমনি মোহন, সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে জামাল উদ্দিন, অডিট সম্পাদক পদে রাকিবুল হাসান, সদস্য পদে আজহার উদ্দিন, মো. ইউসুফ, মো. ইউসুফ মানিক ও আবদুল্লাহ আল নোমান। এ ছাড়া নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সদস্য পদে নুরুল হুদা জয়ী হয়েছেন।

আওয়ামীপন্থী আইনজীবীদের জয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে জেলার বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সদস্য মুহাম্মাদ মাহমুদুল হক সুজন বলেন, ‘আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্যানেল দেওয়া হয়নি। তবে প্যানেল ছাড়াই আমাদের দলীয় নেতারা ৯টি পদে প্রার্থী হয়েছিলেন। এর মধ্যে আটজন জয়ী হয়েছেন।’

জানতে চাইলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ কে এম হুমায়ুন কবির বলেন, ‘দিনব্যাপী ব্যাপক নিরাপত্তা ও উৎসবমুখর পরিবেশে এই ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাতে ভোট গণনা শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ী প্রার্থীদের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছতা ও নিয়ম মেনে সম্পন্ন হয়েছে।’