পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো কাজ শেষ করে কেইপিজেডের ভেতর থেকে বাসে ওঠেন সাইফুলসহ অন্য যাত্রীরা। বাসটি দৌলতপুর ব্রিকফিল্ড এলাকায় পৌঁছালে তাঁকে নামিয়ে দেওয়া হয়। মুহূর্তে পেছন থেকে আরেকটি বাস এসে পিষে দেয় তাঁকে। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আজ সোমবার সকালে বড়উঠান সাত্তার চেয়ারম্যান মাঠে জানাজার পর তাঁকে দাফন করা হয়।

দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী মাহবুবুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা সাড়ে ছয়টার সময় কারখানা থেকে বের হই। সাড়ে সাতটার সময় সাইফুলকে আমাদের বাস থেকে নামিয়ে দেন বাসচালক। সাইফুল নামতেই পেছন থেকে বাঁ লেনে দ্রুতবেগে আসা আরেকটি বাস সাইফুলকে পিষে দেয়। আমরা তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পুরো ঘটনা চোখের সামনে ঘটে গেল!’

সাইফুলের মামা অহিদুল্লাহ সিরাজি বলেন, ‘আমার ভাগনে অনেক পরিশ্রমী ছিল। সংসারের অভাবও কমিয়ে এনেছিল। কিন্তু দুর্ঘটনায় সব তছনছ হয়ে গেল।’

কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল মাহমুদ বলেন, দুর্ঘটনা ঘটানো বাসটি জব্দ করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন