এর আগে গত সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শহরের হাউজিং ডি ব্লকের সাততলা বাড়ির দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাট থেকে রোকসানার রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিঃসন্তান রোকসানা সাততলাবিশিষ্ট নিজ বাড়ির দোতলায় একাই থাকতেন। তিনি কুষ্টিয়া জিলা স্কুলের ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক ছিলেন। তাঁর স্বামী খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান যশোরের চৌগাছা উপজেলায় এলজিইডিতে কমিউনিটি অর্গানাইজার পদে কর্মরত।

ডিবির ওসি নাসির উদ্দীন বলেন, রোকসানার বাড়ির চতুর্থ তলায় নওরোজ তাঁর মা ও ভাইকে নিয়ে থাকতেন। ওই বাড়ির অন্যান্য ফ্ল্যাটের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রোকসানার বাড়িতে নওরোজ নিয়মিত আসা–যাওয়া করতেন। পরে গত সোমবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে শহরের হাউজিং এলাকা থেকে তাঁকে (নওরোজ) গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। এ ঘটনায় রাতে রোকসানার স্বামী মোস্তাফিজুর রহমান বাদী হয়ে নওরোজের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও দুই থেকে তিনজনকে আসামি করে থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

কুষ্টিয়া মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জহুরুল ইসলাম বলেন, গতকাল বিকেলে কুষ্টিয়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার জন্য নওরোজকে নেওয়া হয়। কয়েক ঘণ্টা বসে থেকে জবানবন্দি দিতে অস্বীকৃতি জানালে আদালত তাঁকে জেলা কারাগারে পাঠান। তাঁকে সাতদিনের রিমান্ডে নেওয়ার জন্য আবেদন করা হবে। আজ বুধবার এ আবেদন জানানো হবে।