বশেমুরবিপ্রবি স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক আলিয়া বেগম বলেন, ‘আজকাল শোনা যাচ্ছে এই প্রতিষ্ঠান নাকি ভেঙে দেওয়া হবে। এখন পর্যন্ত আমাদের চাকরি স্থায়ী হয়নি। চাকরি স্থায়ীকরণসহ পাঁচ দফা দাবিতে উপাচার্যের কক্ষে তালা লাগানো হয়েছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তালা খুলব না।’

পাঁচ দফা দাবিগুলো হচ্ছে—চাকরি স্থায়ীকরণ, বকেয়া বেতন পরিশোধ, আগে যে ভবনে ক্লাস করা হতো সেই ভবনে ফেরত যাওয়া, শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য গাড়ির ব্যবস্থা পুনরায় চালু করা এবং ওই প্রতিষ্ঠানে স্থায়ী অধ্যক্ষ নিয়োগ করা।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কামরুজ্জামান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থাকতে হলে অবশ্যই সেটার অনুমোদন থাকতে হবে, যা এই প্রতিষ্ঠানের নেই। এ ছাড়া বঙ্গবন্ধুর নাম ব্যবহার করে কোনো প্রতিষ্ঠান করতে হলে বঙ্গবন্ধু ট্রাস্ট থেকে অনুমোদন নিতে হয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সে রকম কোনো অনুমোদন ছিল না বিধায় রিজেন্ট বোর্ড থেকেও বাদ দেওয়া হয়েছিল। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের দিয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি এটা নিয়ে কাজ করছে।

উপাচার্য অবরুদ্ধের বিষয়ে জানতে চাইলে কামরুজ্জামান বলেন, ‘প্রতিটা জিনিসের একটা পদ্ধতি আছে এবং সেই পদ্ধতি অনুযায়ী এগোতে হবে। অথচ আজ তাঁরা হুট করে এসেই উপাচার্য স্যারের কক্ষের সামনে তালা লাগিয়ে দিয়েছেন। এটা কোনো সমাধান নয়। সমাধান করতে হলে আলোচনা করতে হবে। কিন্তু তাঁরা আমাদের আলোচনায় বসার সুযোগ দিচ্ছেন না।’