গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার বাজুন্দি গ্রামের রাসেল ফকির (২০), কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার গজারিয়া গ্রামের মো. নাঈম (২০), ঢাকার পশ্চিম ভাষানটেক এলাকার মো. কামরুল হাসান (২২), মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার তিল্লী চর গ্রামের সজীব আহমেদ (২০), দৌলতপুর উপজেলার খালশি গ্রামের গোলাম মোস্তফা (২৫) এবং পাবনার বেড়া উপজেলার ছোট পায়না গ্রামের মো. আরমান (২১)। তাঁরা সবাই অস্থায়ীভাবে সাভারের বিভিন্ন স্থানে বসবাস করতেন।

সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দীপক চন্দ্র সাহা বলেন, গ্রেপ্তার আসামিদের সবাই মাদক গ্রহণ করতেন। তাঁদের বিরুদ্ধে ছিনতাই ও মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

১৪ নভেম্বর রাত সাড়ে ১১টার দিকে সাভারের সিঅ্যান্ডবি এলাকায় বাস থেকে নামার পর ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েন এসি ল্যান্ড আবু বকর সিদ্দিকী।

এর আগে গত মঙ্গলবার রাতে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে মো. রাসেল (৩২) নামের একজনকে প্রথম গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ওই ব্যক্তি চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার তারাপান্না এলাকার বাসিন্দা। এ নিয়ে এ ঘটনায় মোট সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হলো।

পুলিশ জানায়, গত ২২ অক্টোবর ভূমি জরিপ ও সেটেলমেন্ট–বিষয়ক প্রশিক্ষণ নিতে সাভারে আসেন পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়ার এসি ল্যান্ড আবু বকর সিদ্দিকী। ১৪ নভেম্বর বিকেলে অসুস্থ মাকে দেখার জন্য রাজধানীর মিরপুরে যান তিনি। সেখান থেকে রাতেই সাভারে ফিরে আসেন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে সাভারের সিঅ্যান্ডবি এলাকায় বাস থেকে নামার পর ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েন তিনি। এ সময় ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে আহত হন তিনি। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এ ঘটনায় পরদিন আবু বকর সিদ্দিকীর ভগ্নিপতি সুমন হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি করে সাভার মডেল থানায় মামলা করেন।

পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সাভার ও ঢাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত ছুরিটিও জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিদের আজ দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।