একই দিন সন্ধ্যায় উপজেলা পারসাতুরিয়া গ্রামের সৌদি আরবপ্রবাসী এক তরুণের (২৫) সঙ্গে একই উপজেলার সুবিদপুর গ্রামের এক স্কুলছাত্রীর (১৪) বাড়িতে বিয়ের কথা ছিল। পরে স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে ইউএনও কনের বাড়িতে যান। পরে ইউএনও বর ও কনের বাবাকে মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এ ছাড়া ওই বিয়েতে জড়িত থাকার অভিযোগে আরও দুই ব্যক্তিকে এক হাজার টাকা করে দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

খালেদা খাতুন বলেন, পৃথক দুটি বাল্যবিবাহের ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। সেখানে নিকাহ রেজিস্ট্রার এবং বর ও কনের স্বজনদের মোট ৩২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ সময় কনের পরিবারের কাছ থেকে মেয়েকে বাল্যবিবাহ না দেওয়ার বিষয়ে মুচলেকা নেওয়া হয়। এ ছাড়া ওই নিকাহ রেজিস্ট্রারের লাইসেন্স বাতিলের সুপারিশ করা হবে।