টাঙ্গাইলের আদালতের পরিদর্শক তানবীর আহম্মদ প্রথম আলোকে বলেন, আসামি রাজা মিয়া ও নুরুনবীর জবানবন্দি সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. শামসুল আলম লিপিবদ্ধ করেন। আর মো. আওয়ালের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রুমি খাতুন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি উত্তর) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, জবানবন্দিতে তিন আসামিই ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনার পুরো বর্ণনা দিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে রাজা মিয়া ধর্ষণ ও লুণ্ঠন উভয় অপরাধে অংশ নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। অন্য দুজন আওয়াল ও নুরনবী শুধু ডাকাতিতে অংশ নেওয়ার কথা স্বীকার করেন।

default-image

গত মঙ্গলবার রাতে চলন্ত বাসে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। পরে বাসটি টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার রক্তিপাড়া এলাকায় সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়। এ ঘটনায় ওই বাসের যাত্রী হেকমত আলী বাদী হয়ে গত বুধবার মধুপুর থানায় ডাকাতি ও ধর্ষণের মামলা করেন।

ওই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গত বৃহস্পতিবার ভোরে টাঙ্গাইল শহরের দেওলা এলাকার বাসা থেকে রাজা মিয়াকে (৩২) গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর শুক্রবার সকালে গাজীপুরের কালিয়াকৈর থেকে মো. আওয়াল (৩০) ও নুরনবীকে (২৬) গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। রাজা মিয়াকে গতকাল আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গোয়েন্দা পুলিশ সূত্র জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে তিন আসামি বাসে ডাকাতির সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তাঁরা ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনার পুরো বিবরণ ও ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের নাম প্রকাশ করেছেন। তাঁরা আদালতে জবানবন্দি দিতেও সম্মত হন। পরে তাঁদের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করতে আজ বিকেলে টাঙ্গাইলের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন