এএসআই রশিদুল ইসলাম মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘নির্যাতন বা মারধরের অভিযোগ সঠিক নয়। উল্টো আবদুল হালিমই আমার গায়ে হাত তুলেছেন।’

আবদুল হালিম গামছায় মুখ ঢেকে দুটি ছাগল নিয়ে রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন দাবি করে রশিদুল ইসলাম বলেন, ‘ছাগলচোর ও মাদকসেবী সন্দেহ হওয়ায় তাঁকে আটকে নাম জিজ্ঞাসা করি। কিন্তু তিনি পরিচয় না দিয়ে বিতর্কে জড়ান। একপর্যায়ে মুখ ঢাকা গামছা সরাতে গেলে তিনি আমার ওপর আক্রমণের চেষ্টা করেন। এ সময় আত্মরক্ষার জন্য ধাক্কা দিলে মাটিতে পড়ে গিয়ে তিনি চোট পান। তাঁকে মারধর করা হয়নি।’

আবদুল হালিম সোনাতলা পৌরসভার গড়ফতেপুর এলাকার বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি সোনাতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।

আবদুল হালিমের বড় ভাই আবদুল হাদী বলেন, তাঁর ভাই (আবদুল হালিম) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাস বিষয়ে স্নাতকোত্তর করেছেন। তিনি গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার চানপাড়া মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতেন। সেখান থেকে তাঁকে অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়। এর পর থেকে মানসিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন তিনি। চিকিৎসা করানোর পর সুস্থ হয়ে ওঠেন আবদুর হালিম।

আবদুল হাদীর অভিযোগ, শুক্রবার বেলা দুইটার দিকে গড়ফতেপুরে নিজ বাড়ি থেকে দুটি ছাগল নিয়ে মাঠে যাচ্ছিলেন আবদুল হালিম। এ সময় সাদাপোশাকে থাকা এএসআই রশিদুল ইসলাম ছাগলচোর সন্দেহে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এটা নিয়ে আবদুল হালিমের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে গলায় গামছা পেঁচিয়ে তাঁকে বেধড়ক মারধর ও ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়ে রক্তাক্ত জখম করেন এএসআই রশিদুল।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন