পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত মহিম একটি ইটভাটায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। তিনি প্রায়ই ওই কিশোরীকে নানাভাবে উত্ত্যক্ত করতেন। একাধিকবার তিনি ওই কিশোরীকে অনৈতিক প্রস্তাবও দিয়েছেন। তবে ওই কিশোরী প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় মহিম তার ওপর ক্ষুব্ধ হন। এর মধ্যে বুধবার দুপুরে ওই কিশোরী বাড়ির পাশের মাঠ থেকে তাদের গৃহপালিত ছাগল আনতে যায়। এ সময় মহিম তাকে একা পেয়ে মুখ চেপে ধরে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে পালিয়ে যান।

পরে কিশোরী বাড়িতে গিয়ে তার মা–বাবাকে ঘটনাটি জানায়। এ ঘটনায় গতকাল বিকেলে ওই কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে কোম্পানীগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় মহিমকে একমাত্র আসামি করা হয়েছে।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাদেকুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, মামলার একমাত্র আসামি মহিমকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। এ ছাড়া ওই কিশোরীর স্বাস্থ্যগত পরীক্ষার জন্য গতকাল সন্ধ্যায় নোয়াখালীর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) সৈয়দ মহিউদ্দিন আবদুল আজিম প্রথম আলোকে বলেন, কোম্পানীগঞ্জ থানা থেকে ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে আসা এক কিশোরীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ভর্তির পর তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং প্রাথমিক কিছু আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে পরীক্ষা–নিরীক্ষা শেষে এ বিষয়ে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।