৫ যাত্রী বহনের অনুমতিসহ ১০ দফা দাবিতে ভোলায় অটোরিকশাচালকদের মানববন্ধন

১০ দফা দাবিতে ভোলায় মানববন্ধন করেছেন চরফ্যাশন-লালমোহন উপজেলা সিএনজিচালিত অটোরিকশা, অটোটেম্পো, মিশুক ও বেবিট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা-কর্মীরা। আজ মঙ্গলবার ভোলা প্রেসক্লাবের সামনেছবি: প্রথম আলো

সিএনজিচালিত অটোরিকশায় পাঁচজন যাত্রী বহনের অনুমতি, স্বল্প মূল্যে গ্যাস সরবরাহ এবং বাস মালিক সমিতির কথিত হয়রানি বন্ধসহ ১০ দফা দাবিতে ভোলায় মানববন্ধন করেছেন চরফ্যাশন-লালমোহন উপজেলা সিএনজিচালিত অটোরিকশা, অটোটেম্পো, মিশুক ও বেবিট্যাক্সি শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা-কর্মীরা। আজ মঙ্গলবার ভোলা প্রেসক্লাবের সামনে ঘণ্টাব্যাপী কর্মসূচি শেষে তাঁরা জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ পরিবহন ফেডারেশনের চরফ্যাশন শাখার সহসভাপতি মো. বাহারুল ইসলাম, শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম, সহসাধারণ সম্পাদক নুরে আলম ও দপ্তর সম্পাদক মো. হাসান।

বক্তারা অভিযোগ করেন, চরফ্যাশন-ভোলা সড়কে বাস মালিক সমিতির লোকজন যাত্রী ছিনিয়ে নেওয়া, সিএনজির আসন কেটে ফেলা, গাড়ি ভাঙচুর ও চালকদের মারধর করছেন। তাঁরা এসব ঘটনার তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।

চরফ্যাশন উপজেলা অটোরিকশা, অটোটেম্পো ও বেবিট্যাক্সি মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সেলিম বলেন, গ্রামীণ এলাকায় পারিবারিকভাবে যাতায়াতের কারণে পাঁচজন যাত্রী বহনের প্রয়োজন হয়। পাশাপাশি গ্যাসের দাম বেশি হওয়ায় তিনজন যাত্রী নিয়ে গাড়ি চালিয়ে লোকসান হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

স্মারকলিপিতে পাঁচজন যাত্রী বহনের অনুমতি, শ্রমিকদের হয়রানি বন্ধ, আহত চালকদের চিকিৎসা, ক্ষতিগ্রস্ত সিএনজির ক্ষতিপূরণ, নির্ধারিত স্ট্যান্ড নির্মাণ এবং প্রচলিত আইন অনুযায়ী চলাচলের অধিকার নিশ্চিতসহ ১০টি দাবি জানানো হয়।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ভোলা বাস মালিক সমিতির সভাপতি আমিনুল ইসলাম খান বলেন, বাস মালিক সমিতির কোনো সদস্য সিএনজিচালকদের মারধর বা গাড়ি ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িত নন। তিনি বলেন, বিআরটিএর বিধি অনুযায়ী একটি সিএনজিতে তিনজন যাত্রী বহনের অনুমতি রয়েছে। অনেক চালক পাঁচজন যাত্রী বহন করছেন, যা আইনবহির্ভূত।

ভোলা জেলা প্রশাসক শামীম রহমান বলেন, সিএনজিচালিত অটোরিকশার শ্রমিকদের দেওয়া ১০ দফা দাবির স্মারকলিপি গ্রহণ করা হয়েছে। দাবিগুলো আইনগতভাবে বাস্তবায়নের সুযোগ রয়েছে কি না, তা যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।