জাতি–ধর্ম–বর্ণনির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে একসাথে কাজ করব : হাবিবুল ইসলাম

কলারোয়া সরকারি হাইস্কুল ফুটবল মাঠে আজ সোমবার সন্ধ্যায় জনসভায় বক্তব্য দেন বিএনপির প্রার্থী হাবিবুল ইসলামছবি: প্রথম আলো

সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের বিএনপির প্রার্থী হাবিবুল ইসলাম (হাবিব) বলেছেন, ‘নির্বাচিত হতে পারলে জাতি–ধর্ম–বর্ণনির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে কাজ করব। আধুনিক তালা ও কলারোয়া গড়ব।’

এই দুই উপজেলার মানুষ, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ নিরাপদে থাকবে উল্লেখ করে হাবিবুল ইসলাম বলেন, ‘আমার শরীরে এক বিন্দু রক্ত থাকতে কোনো ধরনের অন্যায় কারও ওপরে হতে দেব না। কোনো ধরনের অন্যায়কে প্রশ্রয় দেব না। কোনো ধরনের বৈষম্য থাকবে না।’

কলারোয়া সরকারি হাইস্কুল ফুটবল মাঠে আজ সোমবার সন্ধ্যায় নির্বাচনী জনসভার আয়োজন করে উপজেলা বিএনপি। এখানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন হাবিবুল ইসলাম। কেন্দ্রীয় বিএনপির এই নেতা বিগত সময়ের কার্যক্রম তুলে ধরে বলেন, ‘আমি বিগত সময় ব্যাপক উন্নয়ন করেছি, সেই উন্নয়নের স্বার্থে, আপনাদের কাছে ধানের শীষে ভোট চাচ্ছি, যাতে করে তালা ও কলারোয়ার বাকি উন্নয়নগুলো আমি করতে পারি। অনেকে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মব সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে, তাদের সাবধান করতে চাই, মব সৃষ্টি করে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন বন্ধ করা যাবে না। বাংলার জনগণ এখন নির্বাচিত সরকার দেখতে চায়।’

হাবিবুল ইসলাম আরও বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে মানুষ শান্তিতে থাকে। দেশের উন্নয়নের বন্যা বয়। দেশের উন্নয়নের স্বার্থে, দেশের সাধারণ মানুষের সঙ্গে, দেশের খেটে খাওয়া মানুষের স্বার্থে সবাই এক হয়ে বিএনপিকে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার আহ্বান জানান তিনি।

কলারোয়া উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি আবদুর রশিদ মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির মুখপাত্র রইচ উদ্দিন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকা সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শাহানারা পারভীন, জেলা বিএনপি যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হাসান (হাদি), যুগ্ম আহ্বায়ক ও কলারোয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র আখতারুল ইসলাম, তালা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মৃণাল কান্তি রায়, কলারোয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুর রাকিব মোল্লা, তালা উপজেলা বিএনপি সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক তামিম আজাদ, কলারোয়া পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরিফুজ্জামান (তুহিন), ধানদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেন, সোনাবাড়িয়া ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম প্রমুখ।