লোকপ্রশাসন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত প্রধান অধ্যাপক শামীমা তাসনিম বলেন, ‘আমরা আর কোনো শিক্ষার্থীকে হারাতে চাই না। সবাইকে নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে সচেতন থাকতে হবে।’ বুলবুলের সহপাঠী আছিয়া আফরিন বলেন, ‘গত রোববার বুলবুল এই শ্রেণিকক্ষে ছিল। আজ আমরা সবাই আছি কিন্তু বন্ধু বুলবুল নেই। আমরা চাই না, আর কোনো বন্ধু এভাবে আমাদের ছেড়ে অকালে ঝরে যাক।’

মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষকদের মধ্যে অধ্যাপক আশরাফ সিদ্দিকী ও ইসমত আরা, সহকারী অধ্যাপক কানিজ ফাতেমা, মাহমুদুল হাসান, মোস্তফা কামাল, সাবিনা ইয়াসমিন, জোবাইদা গুলশান আরাসহ বিভাগের কয়েক শ শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বুলবুলের মা-বোন ও তাঁর পরিবারের অন্য সদস্যরা বিশ্ববিদ্যালয়ে বুলবুলের ব্যবহৃত জিনিসপত্র নিতে আসেন। বুলবুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহপরান হলের ২১৮ নম্বর কক্ষে থাকতেন। এ সময় ওই কক্ষে সন্তানের জিনিসপত্র দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন বুলবুলের মা ইয়াসমিন বেগম। তাঁর সঙ্গে পরিবারের অন্য সদস্যরাও কাঁদতে শুরু করলে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়।

এদিকে বুলবুল হত্যার রাতেই সিলেট মহানগরের জালালাবাদ থানায় হত্যা মামলা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ ইশফাকুল হোসেন। পরে পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা ঘটনার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বুলবুলের বাড়ি নরসিংদী সদর উপজেলার নন্দীপাড়া গ্রামে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন