গয়না, পিণ্ড ও পেস্ট আকারে আনলেন ৪৫ ভরি সোনা, কৌশলে কাস্টমস পার হলেও ধরা পড়লেন

চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের এক যাত্রীর কাছ থেকে উদ্ধার করা সোনাছবি: সংগৃহীত

মাসকাট থেকে আসা সালাম এয়ারের ফ্লাইটটি সকালে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামে। যাত্রীরা একে একে কাস্টমসের স্ক্যানিং শেষ করে বের হচ্ছিলেন। তাঁদের মধ্যেই ছিলেন রাউজানের এক যাত্রী। স্ক্যানিং শেষ করে বের হওয়ার সময় তাঁর গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হয় গোয়েন্দাদের। পরে তল্লাশি চালানোর পর তাঁর ব্যাগ থেকে বেরিয়ে আসে একে একে ৫৩৪ গ্রাম বা ৪৫ ভরি ১২ আনা স্বর্ণালংকার।

আজ শুক্রবার চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এ ঘটনা ঘটে। আটক মোহাম্মদ হাসান মুরাদ চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার নাসিরনগরের বাসিন্দা। তাঁর ব্যাগের ভেতর বিশেষ কায়দায় রাখা ছিল ১০৬ গ্রাম স্বর্ণের অলংকার, ৪২৫ গ্রাম স্বর্ণের পিণ্ড ও ৩ গ্রাম স্বর্ণের পেস্ট। সব মিলিয়ে উদ্ধার করা হয় ৫৩৪ গ্রাম স্বর্ণ।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিলের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আজ সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে মাসকাট থেকে সালাম এয়ারের ওভি-৪০১ ফ্লাইটে চট্টগ্রামে আসেন হাসান মুরাদ। ব্যাগেজে স্বর্ণগুলো এমনভাবে লুকানো ছিল যে কাস্টমসের স্ক্যানারে বিভ্রান্তি তৈরি হয়।

বিমান বন্দরে স্বর্ণসহ আটক যাত্রী হাসান মুরাদ
ছবি: সংগৃহীত

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, উদ্ধার করা স্বর্ণের রাজস্ব মূল্য ১ কোটি ১৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এ ঘটনায় হাসান মুরাদের বিরুদ্ধে শুল্ক গোয়েন্দা কর্তৃপক্ষের মামলার প্রক্রিয়া চলছে। স্বর্ণ চোরাচালান ও বৈদেশিক মুদ্রা পাচার ঠেকাতে বিমানবন্দর গোয়েন্দা সংস্থা, কাস্টমস গোয়েন্দা ও বিমানবন্দর কাস্টমসের নজরদারি অব্যাহত থাকবে।