আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি আসামি সুজন পবিত্র কাবাঘরের ছবির সঙ্গে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের একটি ছবি সম্পাদনা করে ফেসবুকে পোস্ট করেন। এতে ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের অনুভূতিতে আঘাত এবং সারা দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে এমন আশঙ্কা তৈরি হয়। বিষয়টি নজরে এলে রাতেই পাঁচবিবি থানা-পুলিশ সুজনকে আটক করে। ওই সময় তাঁর মুঠোফোন জব্দ করে এ–সংক্রান্ত সব তথ্য পাওয়া যায়। পরদিন সুজনের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে মামলা করে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আবু জাফর মো. সালেহ।

মামলার রায়ে বলা হয়, ‘আসামি সুজন মহন্তর বিরুদ্ধে আনীত তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইন-২০০৬–এর ৫৭ (১) ধারার অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে দোষী সাব্যস্তক্রমে আইনের ৫৭ (২) ধারায় সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হলো। এ ছাড়া এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হলো।’ আসামির হাজতবাস মূল কারাদণ্ড থেকে বাদ যাবে বলেও রায়ে উল্লেখ করা হয়।

আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) ইসমত আরা প্রথম আলোকে বলেন, মামলার বিচার চলাকালে সুজনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়। তাই আদালত তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে কারাদণ্ডের পাশাপাশি জরিমানাও করেছেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাঁকে রাজশাহী কারাগারে পাঠানো হয়।