মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৪ সালে সাতক্ষীরা শহরের সুলতানপুরের এন্তাজ সরদারের ছেলে আজগার আলীর সঙ্গে সদর উপজেলার গোবরদাড়ি গ্রামের আবদুল মান্নানের মেয়ে রেহেনা পারভীনের বিয়ে হয়। বিয়ের ছয় মাস যেতে না যেতেই যৌতুকের দাবিতে রেহেনাকে প্রতিনিয়ত নির্যাতন করতেন আজগার ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। একপর্যায়ে বাবার বাড়ি থেকে যৌতুকের ৮০ হাজার টাকা আনতে অপারগতা প্রকাশ করেন রেহেনা। পরে ১৯৯৭ সালের ২০ এপ্রিল বিকেলে বাড়িতে রেহেনাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহত রেহেনার চাচা শওকত আলী সরদার পরদিন বাদী হয়ে আজগার আলী, তাঁর ভাই রুহুল কুদ্দুসসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন।

সাতক্ষীরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি জহরুল হায়দার জানান, ১৯৯৮ সালে আসামি আজগার ও তাঁর ভাই রুহুল কুদ্দুসের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে অভিযোগ গঠন করা হয়। পরে আসামি রুহুল কুদ্দুস মারা যান। আসামি আজগারও পলাতক থাকেন।

তিনি আরও জানান, মামলার নথি, ১২ জন সাক্ষীর জেরা ও জবানবন্দি পর্যালোচনা শেষে পলাতক আসামি আজগারের বিরুদ্ধে স্ত্রীকে নির্যাতন চালিয়ে হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন