রাজশাহীতে আ.লীগ কার্যালয়ের ধ্বংসস্তূপে এবার ‘মুজিব পাবলিক টয়লেট’–সংবলিত ব্যানার

রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের ধ্বংসস্তূপে টানানো হয়েছে ‘মুজিব পাবলিক টয়লেট’–সংবলিত ব্যানার। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরের কুমারপাড়া এলাকায়ছবি: প্রথম আলো

রাজশাহী মহানগরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের ধ্বংসস্তূপের ওপর ‘মুজিব পাবলিক টয়লেট’–সংবলিত ব্যানার টানানো হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমারপাড়া এলাকার কার্যালয়ে ব্যানারটি টানায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রাজশাহী জেলা শাখা।

এ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন রাজশাহী জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক মো. নাহিদুল ইসলাম। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন একই কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব ইমন রাজ এবং কর্মসূচি ও পরিকল্পনা সম্পাদক তানভির মাহতাব। তাঁরা বলেন, জায়গাটিতে পাবলিক টয়লেট গড়ার জন্য শিগগিরই সংশ্লিষ্টদের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হবে।

আজ সেখানে ব্যানার টানানোর পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রাজশাহীর আহ্বায়ক নাহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, এত জুলুম-নির্যাতনের পরও আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকার আবারও বাংলাদেশে প্রাসঙ্গিক হওয়ার চেষ্টা করছে। অথচ গত ১৭ বছরে তাঁরা জনগণকে কুক্ষিগত করার চেষ্টা করেছে। সেই সন্ত্রাসীদের আঁতুড়ঘর আবার উদ্বোধন করে প্রাসঙ্গিক হওয়ার চেষ্টা হতে দেওয়া যাবে না। তাই জায়গাটিকে ‘মুজিব পাবলিক টয়লেট’ হিসেবে প্রতীকী উদ্বোধন করা হয়েছে।

তিনজন মিলে ব্যানার টানানোর বিষয়ে জানতে চাইলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এই আহ্বায়ক বলেন, ‘হঠাৎ করে কর্মসূচি ঘোষণার কারণে সংগঠনের সব সদস্য উপস্থিত থাকতে পারেননি।’

এর আগে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে কয়েক দফায় বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের ওই কার্যালয়। বর্তমানে সেখানে ভবনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে আছে।

এদিকে ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে ওই কার্যালয়ের সামনে ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, রাজশাহী মহানগর শাখা কার্যালয় শুভ উদ্বোধন করা হলো’ লেখাসংবলিত একটি ব্যানার দেখা যায়। রাতের আঁধারে কে বা কারা ব্যানারটি টানিয়ে যায়, তা জানা যায়নি। সেদিন বিষয়টি স্থানীয় বাসিন্দাদের নজরে এলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। দুপুরের দিকে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা-কর্মীরা সেখানে গিয়ে ব্যানারটি টেনে ছিঁড়ে পুড়িয়ে দেন।