ভুক্তভোগী ছাত্রীর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ওই ছাত্রী স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে। ২০ নভেম্বর সকালে সে স্কুলে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়। এর পর থেকে কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না তার। আশপাশের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর ২১ নভেম্বর ওই ছাত্রীর বাবা রাঙ্গুনিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। গতকাল দুপুরে ওই ছাত্রীকে কক্সবাজার থেকে উদ্ধার করে তার পরিবার।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গতকাল উদ্ধারের পর ওই ছাত্রী পরিবারকে জানিয়েছে, ২১ নভেম্বর স্কুলে যাওয়ার সময় শোয়াইব ও আরেক তরুণ তার পথ রোধ করেন। একপর্যায়ে শোয়াইব ও ওই তরুণ তাকে জোর করে অটোরিকশায় তুলে নিয়ে রাঙামাটি শহরে অজ্ঞাতনামা একটি হোটেলে নিয়ে যান। সেখানে দুই তরুণ তাকে ধর্ষণ করেন। ২২ নভেম্বর চট্টগ্রাম শহরে এবং পরে কক্সবাজারের রামু এলাকায় ওই ছাত্রীকে নিয়ে যান দুই তরুণ। এদিকে ওই ছাত্রীর পরিবার গতকাল তাদের এক স্বজনের মাধ্যমে ছাত্রীর অবস্থান জানতে পারে। পরে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করতে গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা সেখান থেকে পালিয়ে যান।

জানতে চাইলে রাঙ্গুনিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) খান নুরুল ইসলাম বলেন, ধর্ষণের মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরেক আসামিকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ওই ছাত্রীর শারীরিক পরীক্ষার জন্য আজ শুক্রবার সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।