রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনের প্রস্তুতির জন্য দুই মাস সময় চেয়ে নির্বাচন কমিশনে অনুরোধ জানিয়েছিল ছাত্রদল। এ ব্যাপারে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দিয়েছে ছাত্রশিবির। তারা বলছে, নির্বাচনে ছাত্রদলকে ‘যৌক্তিক সময়’ দেওয়া যেতে পারে।
রাকসু, হল সংসদ ও সিনেট ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচন উপলক্ষে ছাত্রসংগঠনগুলোর সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের আলোচনা সভায় শিবিরের পক্ষ থেকে এমন অভিমত দেওয়া হয়। ছাত্রসংগঠনগুলোর বিভিন্ন দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আজ রোববার বিকেলে সিনেট ভবনে এ সভার আয়োজন করা হয়।
রাকসুর নির্বাচন কমিশন আয়োজিত আলোচনার একপর্যায়ে নির্বাচনী প্রস্তুতির জন্য ছাত্রদল দুই মাস সময় চেয়ে নির্বাচন কমিশনে যে অনুরোধ করেছিল, সেই প্রসঙ্গ তুলে মতামত চাওয়া হয়।
এ সময় ছাত্রশিবিরের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সেক্রেটারি মুজাহিদ ফয়সাল বলেন, ‘গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সভা মনে করলে নির্বাচনে ছাত্রদলকে সুস্পষ্ট যুক্তির ভিত্তিতে যৌক্তিক সময় দেওয়া যেতে পারে।’
ছাত্রশিবিরের পাশাপাশি ছাত্রদলকে ‘যৌক্তিক সময়’ দেওয়ার পক্ষে মত দেন শাখা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি মেহেদী মারুফ। তবে অন্য ছাত্রসংগঠনগুলো নির্ধারিত সময়েই (১৫ সেপ্টেম্বর) নির্বাচনের দাবি জানায়।
এ ছাড়া আলোচনায় আবাসিক হলে নির্বাচনের ভোট গ্রহণ বাতিল করে একাডেমিক ভবনে স্থানান্তর, ছবিযুক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ, সাইবার বুলিং রোধে সেল গঠনসহ বিভিন্ন দাবি উত্থাপন করে মতামত চাওয়া হয়। এ সময় বেশির ভাগ সংগঠন ভোটকেন্দ্র একাডেমিক ভবনে স্থানান্তরের দাবি জানায়। এ ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে ছবিযুক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ও সাইবার বুলিং রোধে সেল গঠনের ব্যাপারে সব ছাত্রসংগঠন একমত পোষণ করে।
আলোচনা শেষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক এফ নজরুল ইসলাম বলেন, ‘সকলের মতামতকে বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচন কমিশন একটি সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের আয়োজন করতে চায়। এ বিষয়ে অন্যান্য স্টেকহোল্ডারের সঙ্গেও আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’