নিহত শিক্ষার্থীর নাম ফাহিম আহমদ (১৮)। তিনি বিশ্বনাথ উপজেলার দেওকলস ইউনিয়নের কোনারই গ্রামের পেয়ার আলীর ছেলে। বিশ্বনাথ সরকারি কলেজ থেকে এবার এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন ফাহিম। আহত পাঁচজনের মধ্যে তিনজনের পরিচয় জানা গেছে। তাঁরা হলেন অটোরিকশার চালক রিপন আহমদ (৩৫), যাত্রী রুহুল আমিন (২২) ও পাবেল আহমদ (১৮)। আহত বাকি দুজন বাসের যাত্রী। তাঁদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।

সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে শামীম আহমদকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এইচএসসি পরীক্ষা দিতে সকালে নিজ বাড়ি থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে বিশ্বনাথ পৌর শহরের দিকে যাচ্ছিলেন শামীম। পথে চান্দরসির কাপড় এলাকায় বিশ্বনাথ থেকে জগন্নাথপুরগামী একটি যাত্রীবাহী বাস সামনে থেকে অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায়। অটোরিকশা ও বাসের ছয়জন আহত হন। পরে আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে প্রথমে বিশ্বনাথ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে শামীম আহমদকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

সিলেটের বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী আতাউর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, বাসের চালক পালিয়ে গেছেন। ঘটনাস্থল থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশা এবং বাসটি হেফাজতে নিয়েছেন তাঁরা। চালককে আটকের চেষ্টা চলছে। ওসি বলেন, লাশ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় আজ বিকেল পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি।