মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন—সদর উপজেলার মাঝাডাঙ্গা মেম্বারপাড়া গ্রামের সাকিব হোসেন ইন্দু (২৪), নতুনপাড়া এলাকার রফিক (২৬), গোবরাপাড়া শান্তিপুর গ্রামের বিপ্লব (২৭), সুইহারি এলাকার সেলিম (২৮), বিরল উপজেলার সদরডাঙ্গা গ্রামের রিয়েল (২২) ও সেলিম (২৮)।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, গতকাল সন্ধ্যায় সদর উপজেলার বাঙ্গীবেচা সেতু এলাকায় আসামিদের মধ্যে টাকাপয়সা নিয়ে মনোমালিন্য ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। তহিদুর রহমানের কারণে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে সন্দেহে রাত ৯টার দিকে তাঁকে বাড়ি থেকে ডেকে পুনর্ভবা নদীর বালুরচরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পরস্পরের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তহিদুর রহমানের বুকে, পিঠে ও পায়ের গোড়ালিতে জখম করা হয়। খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে তহিদুরকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে রাত ১১টার দিকে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেন। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) গোলাম মওলা।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য পাভেল ইমরান বলেন, তহিদুরের এক মামাতো ভাই আসামিদের সঙ্গে চলাফেরা করতেন। আসামিরা জুয়া খেলার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কয়েক দিন থেকে জুয়ার টাকার ভাগাভাগি নিয়ে পরস্পরের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল। এ দ্বন্দ্বের জেরে গতকাল সন্ধ্যায় তাঁদের মধ্যে হাতাহাতি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।