শার্শায় হামলায় আহত আ.লীগ নেতার মৃত্যু
প্রতিপক্ষের হামলায় আহত যশোরের শার্শা উপজেলার বেনাপোল ইউনিয়নের ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি নূর আলমের (৬০) মৃত্যু হয়েছে। আজ বুধবার ভোরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। নূর আলম শার্শা উপজেলার আমড়াখালী গ্রামের বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২৮ আগস্ট রাতে আমড়াখালী গ্রামের বাবুল ওরফে বাবুর নেতৃত্বে নূর আলমের বাড়িতে হামলা চালানো হয়। এ সময় ককটেল বিস্ফোরণ ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে নূর আলম ও তাঁর ভাই শাহ আলমকে জখম করা হয়। স্বজনেরা দুজনকে উদ্ধার করে প্রথমে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে তাঁদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ নূর আলম মারা যান। শাহ আলমের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
এদিকে নূর আলমের মৃত্যুর খবর আমড়াখালী গ্রামে পৌঁছালে তাঁর স্বজনেরা হত্যাকারী হিসেবে বাবুলের বাড়িতে ভাঙচুর ও খড়ের স্তূপে অগ্নিসংযোগ করেন। ঘটনার পর থেকে বাবুল পলাতক। ফলে এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় নূর আলমের ছেলে শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে বেনাপোল বন্দর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার এজাহারভুক্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বেনাপোল বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামাল হোসেন ভূঁইয়া বলেন, স্থানীয় আধিপত্য নিয়ে আমড়াখালী গ্রামে দুটি পক্ষের মধ্যে বিরোধ আছে। এক পক্ষের নেতৃত্বে বাবুল, মোক্তার, আরমান এবং অপর পক্ষে নিহত নূর আলম ও আহত শাহ আলম। তাঁদের মধ্যে ইতিমধ্যে কয়েক দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আগের মারামারির ঘটনায় উভয় পক্ষের বিরুদ্ধে মামলাও আছে।